পর্যটকদের নতুন গন্তব্য কাপ্তাই হ্রদের দ্বীপ রিসোর্ট

পাহাড়ের সবুজ যখন গাঢ় নীল জলের বুকে মুখ বাড়ায়, আর শান্ত জলরাশিজুড়ে জেগে থাকে ছোট-বড় অগুনতি সবুজ দ্বীপ। তখন বুঝতে হবে আপনি আছেন রূপের রানি খ্যাত রাঙ্গামাটিতে। তবে রাঙ্গামাটির সাম্প্রতিক ভ্রমণচিত্রে এসেছে বড় পরিবর্তন। কেবল হ্রদে নৌকা ভ্রমণ বা শহরের পরিচিত পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ঘোরাঘুরির গণ্ডি পেরিয়ে পর্যটকেরা এখন ঝুঁকছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতার দিকে। কাপ্তাই হ্রদের বুকে বিচ্ছিন্ন জেগে থাকা নির্জন দ্বীপগুলোতে গড়ে উঠেছে চোখধাঁধানো সব দ্বীপকেন্দ্রিক রিসোর্ট। শহরের ইট-কাঠের ব্যস্ততা, মুঠোফোনের টানা রিংটোন আর যান্ত্রিক কোলাহলকে পেছনে ফেলে মানুষ এখন ছুটছে ভাসমান কিংবা দ্বীপের নীল নির্জনতায় একটু নিঃশ্বাস নিতে।

কাপ্তাই হ্রদের ইতিহাস বহু পুরোনো। ১৯৬০ সালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দেওয়ার পর প্রায় ৭০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছিল এই বিশালাকার কৃত্রিম হ্রদ। এতদিন এই হ্রদ কেবল মাছ চাষ, বিদ্যুৎ উৎপাদন কিংবা সাধারণ ট্রলার ভ্রমণের জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে স্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তা এবং পর্যটনপ্রেমীদের হাত ধরে কাপ্তাই হ্রদের দ্বীপগুলোতে পর্যটনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

আগে পর্যটকেরা রাঙ্গামাটি শহরে হোটেল নিয়ে থাকতেন এবং দিনে দিনে হ্রদ ঘুরে ফিরে আসতেন। এখন সেই ধারণায় আমূল পরিবর্তন এসেছে। হ্রদের নির্জন দ্বীপে গড়ে ওঠা রিসোর্টগুলোতে পর্যটকেরা একেবারে প্রকৃতির কোলে কয়েক দিন টানা বসবাস করছেন। চারদিকে বিশাল জলরাশি, ওপরে খোলা আকাশ, আর দূরে ধোঁয়াটে পাহাড়ের সারি—এই ত্রিবেণী সঙ্গমে নিজেকে সঁপে দেওয়ার মোহেই মূলত গড়ে উঠেছে এই দ্বীপ-রিসোর্ট কালচার।

দ্বীপ রিসোর্টগুলোর আসল অভিজ্ঞতা শুরু হয় রাঙ্গামাটির পলওয়েল পার্ক, পর্যটন ঘাট, ফিশারি ঘাট, আসামবস্তি, শহীদ মিনার ঘাট বা কাপ্তাইয়ের যে কোনো জেটি থেকে নৌকায় ওঠার পর থেকেই। ইঞ্জিনচালিত দেশি নৌকা কিংবা আধুনিক স্পিডবোটে করে যখন জল কেটে নৌকা এগোতে থাকে; তখন থেকেই শুরু হয় ঘোর লাগা অনুভূতি।

হ্রদের বুক চিরে যাওয়ার সময় চারপাশের বাতাস শরীর জুড়িয়ে দেয়। শান্ত জলের বুকে খেলা করে পাহাড়ি মেঘের ছায়া। হ্রদের মাঝে মাঝে জেগে থাকা দ্বীপগুলোর গাছগাছালি থেকে ভেসে আসে হরেক রকমের পাখির ডাক। মিনিট বিশেক থেকে এক ঘণ্টার রোমাঞ্চকর জলযাত্রা শেষে যখন কাঠের তৈরি সুদৃশ্য জেটিতে নৌকা ভেড়ে; তখনই শুরু হয় অলৌকিক দ্বীপ-জীবন।

কাপ্তাই হ্রদের অধিকাংশ দ্বীপ রিসোর্টের বিশেষত্ব হলো—এগুলোর নির্মাণশৈলী। ইটের কংক্রিট দিয়ে প্রকৃতিকে ধ্বংস না করে বেশিরভাগ রিসোর্ট তৈরি করা হয়েছে বাঁশ, কাঠ, ছন, গোলপাতা এবং স্থানীয় পাহাড়ি ঐতিহ্যবাহী উপাদানে। পাহাড়ের ঢালে কিংবা জলের একেবারে কাছাকাছি তৈরি করা হয়েছে কটেজগুলো।

পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী ‘মাচাং’ ঘরের আদলে নির্মিত কটেজগুলোতে আধুনিকতার কোনো কমতি নেই। এসি, অ্যাটাচড ওয়াশরুম, আরামদায়ক বিছানার পাশাপাশি আছে বিশাল ব্যালকনি বা বারান্দা। সকালে বিছানায় শুয়েই কাঁচের জানালা দিয়ে দেখা যায় হ্রদের বুকে সুর্যোদয়ের অপরূপ দৃশ্য। রাতের বেলা যখন চাঁদ ওঠে; তখন বারান্দায় বসে জোছনার জলছবি দেখার অভিজ্ঞতা যে কোনো ভ্রমণপিপাসুর হৃদয়ে চিরস্থায়ী ছাপ রেখে যায়।

দ্বীপ রিসোর্টগুলোতে পর্যটকদের দিন কাটে একেবারে অন্য এক ছন্দে। কোনো বাঁধাধরা সময়সূচি নেই, নেই তাড়াহুড়ো। রিসোর্টগুলোতে অবস্থানকালে পর্যটকদের অন্যতম প্রিয় কাজ হলো কায়াকিং। শান্ত হ্রদের বুকে নিজস্ব গতিতে কায়াক চালিয়ে কোনো অচেনা দ্বীপের দিকে ভেসে যাওয়ার অনুভূতি অসাধারণ। এ ছাড়া লাইফ জ্যাকেট পরে হ্রদের স্বচ্ছ ঠান্ডা জলে সাঁতার কাটার আনন্দও নেন অনেকে।

অনেক রিসোর্টে পর্যটকদের জন্য ছিপ দিয়ে মাছ ধরার ব্যবস্থা থাকে। নিজের হাতে ধরা মাছ দিয়ে বিকেলের নাশতা বা রাতের আহারের আনন্দই আলাদা। বিকেলে রিসোর্টের কাঠের ডেক বা ব্যালকনিতে বসে এক কাপ পাহাড়ি চা হাতে সূর্যাস্ত দেখা এক অপার্থিব অনুভূতি। পাহাড়ের আড়ালে যখন সূর্য ঢলে পড়ে; তখন আকাশে রঙের যে মেলা বসে, তা রূপকথার দৃশ্যকেও হার মানায়। আর রাত বাড়লে যদি আকাশে চাঁদ থাকে, তবে পুরো কাপ্তাই হ্রদ যেন রুপালি চাদরে ঢেকে যায়। সন্ধ্যায় দ্বীপের শান্ত পরিবেশে কটেজের উঠোনে জ্বালানো হয় ক্যাম্পফায়ার। হালকা গিটারের সুর, পাহাড়ি গানের কলি আর দেশি মুরগি বা হ্রদের মাছের বারবিকিউয়ের সুবাসে জমে ওঠে দ্বীপের রাত।

পর্যটকদের পছন্দমতো দ্বীপ রিসোর্টে পৌঁছে দেওয়া ও হ্রদের বুকে ঘুরে বেড়ানোর কাজে স্থানীয় ট্যুর অপারেটরদের বড় ভূমিকা আছে। স্থানীয় ট্যুর অপারেটর বন কুসুম বড়ুয়া বাপ্পী বলেন, ‘কাপ্তাই হ্রদের দ্বীপ রিসোর্টগুলো পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে থাকা বিষয়টি একজন ট্যুর অপারেটর হিসেবে আমার ব্যবসার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক, লাভজনক। একই সাথে একটি দারুণ সুযোগ। সাধারণ সাইটসিয়িং ট্যুরের চেয়ে পর্যটকেরা এখন দ্বীপে রাতযাপন বা প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স খুঁজছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন ‘আইল্যান্ড স্টে’ বা ‘কাপল রিট্রিট’র মতো এক্সক্লুসিভ প্যাকেজ তৈরি করতে পারছি। দ্বীপ রিসোর্টগুলোকে কেন্দ্র করে কায়াকিং, বোটিং, বারবিকিউ নাইট এবং ক্যাম্পিংয়ের মতো রোমাঞ্চকর ইভেন্ট যুক্ত করে প্যাকেজ আকর্ষণীয় করা যাচ্ছে। সাধারণ হোটেলের চেয়ে দ্বীপ রিসোর্টগুলোর প্যাকেজ মূল্য কিছুটা বেশি হয়, যা অপারেটরদের ভালো প্রফিট মার্জিন দেয়। যে অপারেটর যত আকর্ষণীয় এবং নিরিবিলি দ্বীপ রিসোর্টের সন্ধান দিতে পারে, বাজারে তাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু তত বাড়ে।’

আধুনিক পর্যটকেরা শহরের যান্ত্রিকতা ছেড়ে প্রকৃতির মাঝে নির্জনতা পছন্দ করছেন। কাপ্তাই হ্রদের দ্বীপ রিসোর্টগুলো তাদের এই ‘প্রাইভেসি’ ও ‘রিল্যাক্সেশন’ নিখুঁতভাবে দিচ্ছে। এই রিসোর্টগুলোর চমৎকার প্রাকৃতিক দৃশ্য ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম রিলসের জন্য দারুণ উপযুক্ত, যা দেখে আরও নতুন পর্যটক তাদের কাছে বুকিংয়ের জন্য আসছেন। হ্রদের দ্বীপ রিসোর্টগুলোর চাহিদা তীব্র হওয়ায় সিজনে রুম পাওয়া কঠিন। তাই অপারেটর হিসেবে তাদের অনেক আগে থেকেই রিসোর্টগুলোর সাথে করপোরেট ডিল করে রাখতে হয়। যেহেতু দ্বীপে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম বোট, তাই পর্যটকদের লাইফ জ্যাকেটসহ শতভাগ নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের বড় দায়িত্ব।

দ্বীপের রিসোর্টগুলোতে অবস্থানকালে পর্যটকেরা কেবল প্রকৃতির রূপই উপভোগ করেন না, সেই সাথে স্বাদ নেন পাহাড়ি এবং হ্রদের তাজা খাবারের। পাহাড়ি কায়দায় বাঁশের ভেতর রান্না করা মুরগির মাংস ও মাছ (ব্যাম্বো ফিস, চিকেন), কাপ্তাই হ্রদের তাজা মাছ ভাজা, বাঁশ কোড়ল, পাহাড়ি মুরগির মাংসের কষা এবং হরেক রকমের পাহাড়ি ভর্তা—রেস্তোরাঁগুলোর মূল আকর্ষণ। এ ছাড়া স্থানীয় পাহাড়ি জুমে উৎপাদিত তাজা ফল-মূলও পর্যটকদের দেওয়া হয়। সম্পূর্ণ রাসায়নিকমুক্ত এবং তাজা উপাদানে তৈরি খাবারগুলো শহরের কৃত্রিম খাবারের রুচিকে এক নিমিষে বদলে দেয়।

রাঙ্গামাটি শহরের অদূরে কাপ্তাই হ্রদের বুকে গড়ে ওঠা দ্বীপ রিসোর্টে বেড়াতে আসা পর্যটক দম্পতি সোহেল ও তানিয়া বলেন, ‘নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য দ্বীপ রিসোর্টের আয়োজনগুলো চমৎকার। তবে রিসোর্টের ভাড়া কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। একটা সাধারণ কাপল কটেজের ভাড়া ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা। যা সাধারণ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে। এ ছাড়া বাকি সব আয়োজনে আমরা সন্তুষ্ট।’

কাপ্তাই হ্রদের এই দ্বীপভিত্তিক রিসোর্টগুলো কেবল পর্যটনের বিকাশই ঘটায়নি বরং স্থানীয় অর্থনীতিতে বিশাল বিপ্লব এনেছে। আগে যেখানে পাহাড়ি গ্রামগুলোর মানুষের আয়ের উৎস কেবল জুম চাষ বা হ্রদে মাছ শিকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল; এখন তারা বিকল্প আয়ের পথ খুঁজে পেয়েছেন। রিসোর্টগুলোতে ম্যানেজার, বাবুর্চি, নৌকার মাঝি থেকে শুরু করে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করছেন স্থানীয় পাহাড়ি তরুণেরা। এ ছাড়া পর্যটকদের কাছে নিজেদের হাতে বোনা তাঁতের কাপড়, বাঁশ-বেতের তৈরি গৃহস্থালি পণ্য এবং স্থানীয় তাজা ফল-মূল বিক্রি করে স্বচ্ছলতা ফিরছে অনেক পরিবারে।

তবে পরিবেশবাদীদের মতে, রিসোর্টগুলো নির্মাণের ক্ষেত্রে এবং পরিচালনা করার সময় কাপ্তাই হ্রদের বাস্তুসংস্থান ও পরিবেশের যেন কোনো ক্ষতি না হয়, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখা প্রয়োজন। প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রদের জলে ফেলা বন্ধ করা এবং প্রাকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করেই এ ব্যবসা টিকিয়ে রাখা জরুরি।

রাঙ্গামাটির পরিবেশ ও উন্নয়নকর্মী নুকু চাকমা বলেন, ‘জনজীবনে এখন নানামুখী মানসিক চাপ। তাই মানুষ এখন চায় একটু স্বস্তি, নিরিবিলি নিরাপদ পরিবেশ। এ ক্ষেত্রে পরিবার কিংবা বন্ধুদের নিয়ে নিরিবিলি ছুটি কাটিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে নিজেকে সতেজ করে তোলা যায়। এতে জীবনে গতি পাওয়া যায় এবং কাজেও গতি আসে। আর এদিকে দ্বীপকেন্দ্রিক রির্সোটগুলোও তাদের নানা উপকরণ নিয়ে সেজে উঠেছে। চাইলেই দিনভর প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটিয়ে দেওয়া যায়।’

কাপ্তাই হ্রদে বর্তমানে ছোট-বড় বহু রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। একেকটির পরিবেশ ও বৈশিষ্ট্য একেক রকম। প্রমোদিনী বোট ক্লাব অ্যান্ড রিসোর্ট, রাঙ্গাদ্বীপ রিসোর্ট, মায়াবী দ্বীপ, ডিভাইন লেক আইল্যান্ড, ওয়াইল্ড উড আইল্যান্ড অ্যান্ড রিসোর্ট, নীলাঞ্জনা বোটক্লাব অ্যান্ড রিসোর্ট, গ্র্যান্ড হিলতাজ, সুবলং এলাকার রাঙ্গা বেজ ক্যাম্প, লংগদুর কাট্টলি বিলের কাছে কাপ্তাই ইকোভ্যালি, গাঙচিল ও কাপ্তাইয়ের কাছে গড়ে ওঠা বিভিন্ন প্রাইভেট আইল্যান্ড রিসোর্ট এখন পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে। উৎসবের দিনগুলোতে বা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এসব রিসোর্টে বুকিং পেতে বেশ আগে থেকেই যোগাযোগ করতে হয়।

রাঙ্গামাটি রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ললিত সি চাকমা বলেন, ‘রাঙ্গামাটির পাহাড় হ্রদের সৌন্দর্যকে ঘিরে এখানকার পর্যটন শিল্প গড়ে উঠেছে। তবে গত এক দশকের মধ্যে বেসরকারি উদ্যোগে অনেক রিসোর্ট কটেজ ও বিনোদন কেন্দ্র গড়ে ওঠায় পর্যটনে গতি এসেছে। বর্তমানে দ্বীপ কেন্দ্রিক রিসোর্টে পর্যটকের যাতায়াত বেড়েছে এবং পছন্দের শীর্ষে আছে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা পেলে এ খাতের উদ্যোক্তরা পর্যটন বিকাশে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে।’

নগরজীবনের অতিরিক্ত যান্ত্রিকতা, দূষণ আর মানসিক ক্লান্তি থেকে বাঁচতে মানুষ সব সময়ই প্রকৃতির সান্নিধ্য খোঁজে। আর সেই সান্নিধ্যের নিখাদ ঠিকানা হয়ে উঠেছে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের দ্বীপ রিসোর্টগুলো। নীল জলরাশি, মাথার ওপর অসীম আকাশ, আর চারপাশে সবুজ পাহাড়ের প্রহরা—এই তিনে মিলে কাপ্তাইয়ের দ্বীপগুলো পর্যটকদের ভিন্ন জগতে নিয়ে যায়। প্রকৃতির এই মায়াবী রূপ আর দ্বীপ-জীবনের অপার শান্তি অনুভবের জন্যই আজ হাজারো পর্যটক ছুটে যাচ্ছেন কাপ্তাই হ্রদের সেই রুপালি দ্বীপগুলোর পানে।

রাঙ্গামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা বলেন, ‘রাঙ্গামাটির পর্যটন বিকাশে স্থানীয় উদ্যোক্তরা বিশাল ভূমিকা পালন করছেন। এখানে ব্যক্তি উদ্যোগে অসংখ্য রিসোর্ট কটেজ ও বিনোদন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। পর্যটকদের রুচির সাথে সমন্বয় করে কাপ্তাই হ্রদে দ্বীপ রিসোর্ট গড়ে ওঠায় পর্যটকদের অন্যতম গন্তব্য এখন রাঙ্গামাটি।’

সর্বশেষ খবর ওশানটাইমস.কম গুগল নিউজ চ্যানেলে।

oceantimesbd.com